Skip to main content

Bangla Hasir Jokes বাংলা হাসির জোকস

 Bangla Hasir Jokes বাংলা হাসির জোকস 

Bangla Hasir Jokes বাংলা হাসির জোকস

 

খেলার পরিস্থিতি 🥲
কি খবর পাপন মিয়া, 🤔
চিল্লাইতাছো কি নিয়া?
নাঈম-বিজয় দিয়া বন্নি করুম
খেলা শুরু ডাব্বা দিয়া!
মানুষ তো মনে করে হুদা হুদি চেতি!
আহেন ভাই বহেন, খেলার পরিস্থিতি শুনেন
খেলার যে পরিস্থিতি, রান খুঁজি তিতি তিতি
আ.. আ তিতি তিতি
মাশরাফির আমলের স্মৃতি, ধইরা রাখতে চাই
মাগার কেমন ধরুম ভাই?
কনতো টুকুর টাকুর সিঙ্গেল নিয়া কয়টা রান জমাই!
কনতো টুকুর টাকুর সিঙ্গেল নিয়া কয়টা রান জমাই!
কনতো টুকুর টাকুর সিঙ্গেল নিয়া কয়টা রান জমাই!
কি-ও রিয়াদ ভাই
আপনের দেখি খবর নাই
ভাবতাছি হারায় গেছেন, নাকি বাল মইরা গেছেন
ধূর-ও মিয়া, কি কইতাছেন?
ধূর-ও মিয়া, কি কইতাছেন?
কওয়ার তো কারণ আছে
রান করার খবর নাই, রান করবেন কবে?
আজকে নাইলে কালকে
রান করবি আজকে, ডট বল খাস কে?
আজকে নাইলে কালকে আর, কালকে নাইলে পরশু
পরশু নাইলে তশশু, হালার আমরা কি নস্যু?🥲
আপনি বাস থেকে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে রাস্তায় পড়ে গেলেন।
.
পিছন থেকে আরেকটা বাস এসে আপনাকে চাপা দিয়ে পিষে চলে গেল!
.
আপনি মারা গেলেন।
.
আপনি মারা যাওয়ায় আপনার বন্ধুরা মিলে সেই বাস কোম্পানির বাসগুলো ভাঙচুর শুরু করল! আগুন ধরালো!
.
এর ফলে বাসের পেট্রোলের ট্যাঙ্কিতে আগুন ধরে প্রচন্ড বিস্ফোরন ঘটল!
.
এদিকে দেখা গেল যে এই বিস্ফোরনের দায় আইএস স্বীকার করে নিয়েছে।
.
ফলে সারা বিশ্বে খবরটা ছড়িয়ে পড়ল!
.
ধারনা করা হল যে বাংলাদেশে আইএস জঙ্গি আছে।
.
আমেরিকা এ নিয়ে উদ্ধেগ প্রকাশ করল!
.
রাশিয়া আইএস দমন করার জন্য ইচ্ছা পোষন করল!
.
রাশিয়া ইচ্ছা পোষন করায়
.
আমেরিকা দেরি না করে বিনা নোটিশে বোমারু বিমান বাংলাদেশ এর আকাশে পাঠিয়ে দিল আইএস দমন করার উদ্দেশ্যে।
.
বিমান থেকে টপাটপ বোম পড়তে থাকল
এবং
ঢাকা শহর ধ্বংস হতে থাকল!
.
এদিকে রাশিয়াও বসে নেই।
.
তারাও বোমারু বিমান পাঠিয়ে দিলো শক্তি প্রদর্শনের জন্য।
.
একদিন দেখা গেলো, আমেরিকার বিমান ও রাশিয়ার বিমানে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়ে দুটো বিমানই ধ্বংস হয়ে গেছে।
.
এই খবর ছড়িয়ে পড়ল বিশ্বের আনাচে কানাচে। আমেরিকা দাবি
করল, রাশিয়া তাদের উপর হামলা চালিয়েছে আর রাশিয়া দাবি করল,এসব আমেরিকার দোষ।
.
বেজে উঠল যুদ্ধের দামামা। শুরু হয়ে গেল "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ"...
.
আমেরিকা রাশিয়াকে পারমানবিক বোমা মারল, রাশিয়া মারল আমেরিকাকে।
.
সুযোগ বুঝে ভারত পাকিস্থান, ইরান-ইজরাইল ইত্যাদি দেশ গুলোর মধ্যেও পারমানবিক বোমা বিনিময় হল।
.
এক বছরের মধ্যে দেখা গেল, পৃথিবী ধ্বংস হয়ে গেছে চিরতরে
....
সুতরাং, বাস থেকে ধীরে সুস্থে নামুন।।


#অঙ্কে দুর্বল দু'জন চাকুরি প্রার্থী ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য বসে রয়েছেন। প্রথম জন ভেতরে ঢুকলেন।*😳
অফিসারঃ মনে করুন, আপনি ট্রেনে জার্নি করছেন। সফর কালে আপনার অত্যধিক গরম লাগছে। আপনি কী করবেন ?*🥺
চাকুরি প্রার্থীঃ ট্রেনের জানালা খুলে দেবো।*😧
#অফিসারঃ বাহ, বাহ্ খুব ভালো। এখন বলুন, জানালার ক্ষেত্রফল ১.৫ বর্গ মিটার, ট্রেনের কামরার ঘনফল ১৩ ঘনমিটার, পশ্চিমদিকে ট্রেনের গতিবেগ ৮০কিমি/প্রতি ঘন্টা এবং হাওয়ার গতিবেগ দক্ষিণ দিকে ৫ মাইল/ প্রতি সেকেন্ড হলে ট্রেনের কামরা ঠাণ্ডা হতে কত সময় লাগবে ?‼️*🤥
#চাকুরি প্রার্থীর সব ঘেঁটে ঘ।😫 কোনো উত্তর দিতে পারলেন না। বেরিয়ে এসে দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীকে প্রশ্নের বিষয়ে জানালেন।
#এবার দ্বিতীয় জন ভিতরে ঢুকলেন।
অফিসারঃ মনে করুন, আপনি ট্রেনে সফর করছেন। যাত্রাকালে আপনার অত্যধিক গরম লাগছে। আপনি কী করবেন ?*🤨
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ কোট খুলে দেবো।*😒
#অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে কী করবেন ?
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ জামা খুলে ফেলবো।*🤓
অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে ?*😕
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ প্যান্ট খুলে ফেলবো।*😳
#বিরক্ত হয়ে অফিসারঃ তারপরেও গরম লাগলে ?*
দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ গেঞ্জি খুলে ফেলবো।*😌
(প্রচণ্ড রেগে গিয়ে) অফিসারঃ তারপরেও যদি গরম লাগে ?🥶
#দ্বিতীয় চাকুরি প্রার্থীঃ স্যার, আমি গরমে মরে যাবো, কিন্তু কোনোভাবেই ট্রেনের জানালা খুলবো না।

এক রসিক স্যার ক্লাসে এসে ভ্যালেন্টাইন ডে তে তার ছাত্র-ছাত্রীদের একটা করে অফসেট
পেপার দিয়ে বললেনঃ-
আজ ভ্যালেন্টাইন ডে। তাই আজ
লেকচার দেব না! তোমাদের কাছে দেয়া কাগজে তোমাদের ভালো লাগার মানুষটির নাম লিখ!!!
.
.
.
.
.
.
৩০ সেকেণ্ডের মধ্যে সব ছেলেরা কাগজ জমা দিয়ে দিল!
.
.
.
.
.
.
২০ মিনিট পর থেকে মেয়েরা একে একে বলতে শুরু করলঃ এক্সট্রা পেইজ প্লীজ.....!!!!




দমফাটানো হাসির ছন্দ,রোমান্টিক হাসির ছন্দ,হাসির ছন্দ,হাসির কবিতা,


সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে!!



আজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রথম দিন। ক্লাস টিচার এসে স্বাগত বক্তব্য শেষে হাজিরা ডাকা শুরু করেছেন।
শিক্ষক:- রোল এক...!
ছাত্র:- লাব্বাইক!
— দুই!
— লাব্বাইক!
— তিন!
— নাই স্যার।
— কেনো, রাবেয়া আসলো না কেনো?
— স্যার, রাবেয়া এখন শ্বশুর বাড়িতে আছে। স্বামীর ঘরে পড়াশোনা করছে, হা হা হা।
,
— ও, আচ্ছা। রোল চার...!
ছাত্র:- চার রোল কার স্যার?
চশমাটা একটু ঠিক করে নিয়ে শিক্ষক বললেন:- ছাদেক কোথায়?
কাঁদো কাঁদো গলায় এক ছাত্র বললো:- ছাদেক আমাদের মাঝে আর নেই!
— নেই মানে! কবে মরলো?
— মরবে কেনো?
— তাহলে?
— সে ভেবেছে হয়ত এই জনমে আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে না, শুধু খোলার তারিখই দিয়ে যাবে। তাই সে সিদ্ধান্ত নিলো সে আর থাকবে না। একদিন ভোরে উঠে দেখি সে আর আমাদের মাঝে নেই! সে গার্মেন্টসে ভর্তি হয়ে গেছে! 🤣🤣
,
— বলিস কী রে! কী সাঙ্ঘাতিক! আচ্ছা, তারপর পাঁচ...!
পিছনে বসা এক ছাত্র:- এটা আবার কার রোল?
— আশিক কোথায়?
— আমিই তো আশিক। আমার রোল পাঁচ! আমি এত ভালো ছাত্র ছিলাম! ওরে বাবা! যাইহোক, লাব্বাইক স্যার!
.
— দেখো ছাত্রদের অবস্থা!
স্যার কিছু বলতে যাবেন, হঠাৎ একটা ছোট বাচ্চার কান্নার আওয়াজ ভেসে আসলো। স্যার অবাক হয়ে বললেন:- এই ছোট বাচ্চার কান্নার আওয়াজ আসলো কোত্থেকে?
.
ছাত্রী সাদিয়া উঠে দাঁড়ালো। তার কোলে একটি ফুটফুটে বাচ্চা। সাদিয়া বললো:- আমার বাবু। ভাবলাম প্রথম ক্লাসটা ওকে নিয়ে এক সাথেই করি😂😂😂
,
স্যার, ওকেও না হয় এই ক্লাসে ভর্তি করিয়ে নেন😁😁
,
আমরা মা-সন্তান এক সাথেই ক্লাস করবো!
সবাই একযোগে হেসে ওঠলো। শুধু স্যার হাসলেন না।
পাশ থেকে আরেক ছাত্র দাঁড়িয়ে বললো:- স্যার, দেখেন তো হাজিরা খাতায় আমার নাম আছে কি না!
,
— তোর নাম কী?
— সাকিব।
স্যার অনেক্ষণ ধরে গবেষণা করেও হাজিরা খাতায় সাকিব নাম উদঘাটন করতে পারলেন না। বিরক্ত হয়ে বললেন:- সাকিব নাম তো এখানে পাওয়া যাচ্ছে না। হাজিরা খাতায় তোর অন্য কোন নাম লেখা ছিলো?
সাকিব:- তারমানে আমি এই ক্লাসে পড়ি না,,
হায় হায়! তাহলে আমি কোন ক্লাসে পড়ি?
,
স্যার সবাইকে লক্ষ্য করে বললেন:- এই ক্লাসে ছাত্রের সংখ্যা অল্প কয়েকজন ছিলো; কিন্তু আজ এত বেশি বেশি লাগছে কেনো?
,
দুজন ছাত্রী দাঁড়িয়ে লাজুক কণ্ঠে বললো:- স্যার! নতুন ক্লাসে স্মরণীয় হয়ে থাকার জন্য আমাদের হাসব্যান্ডও আমাদের সাথে এসেছেন😂😂
,
স্যার খুবই আশ্চর্যান্বিত হলেন। আরে বলে কী এরা!
,
দরজার সামনে হন্তদন্ত হয়ে এক ছাত্র এসে বললো:- স্যার, কয়েকবছর আগে আমাকে কি এই বিদ্যালয়ে দেখেছিলেন???
অবাক হয়ে স্যার বললেন:- কেনো?
— না, ইয়ে, মানে...! আমি কোন বিদ্যালয়ে পড়ি সেটাই ভুলে গেছি। যদি আপনি দেখে থাকেন তাহলে বুঝবো আমি এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র😂😂
স্যারের মাথায় যেন বিদ্যালয়ের ছাদ ভেঙে পরছে! তিনি এসব কী শুনছেন!,
তখন আরেক শিক্ষক এসে বললো:- আরে বকর সাহেব! আপনি এখানে! আপনি তো পাশের বিদ্যালয়ের শিক্ষক, আপনি এখানে কী করছেন?
এটা শোনার পর থেকে স্যার অজ্ঞান হয়ে আছেন....


বাঁশ কাকে বলে শুনেন😔
কালকে এক বন্ধুর সাথে ঘুরতে গিয়ে
বাসায় আসতে প্রচুর লেট হয়েছিল।
বাসায় আসার পর😑
আম্মুঃ কিরে কই ছিলি?🙄
.
আমিঃ এইতো এক ফ্রেন্ডের বাসায়।😔
.
আব্বুঃ ছেলেটা এই মাত্র বাসায় আসলো খেতে দাও😎
.
তখন আম্মু আমাকে খেতে দিয়ে ভিলেন স্টাইলে এক এক করে 12 টা ফ্রেন্ড এর বাসায় ফোন দিলেন 😱😱
.
তার মধ্য ৫ জনই বললো হ্যা আন্টি ও ত এখানেই ছিলো 😊
.
২ জন বললো হ্যা আন্টি ও ত একটু আগেই বেরিয়ে গেল 🙂
.
৩ জন বললো অ্যান্টি ও তো এখানেই আছে পড়তেছে ফোন দেই 😍
.
১জন বললো টয়লেটে গেছে আন্টি 😁😁
.
আর একজন ত বেশি পাকনামী কইরা আমার কন্ঠ নকল করেই বললো হ্যা আম্মু কিছু বলবা 🤗🤗
.
এখন আমি বাম কানে কম শুনি




হাসির কবিতা,বাংলা কবিতা,



হোটেলে মুরগির মাংস খেতে খেতে এক খদ্দের হোটেল মালিককে বললেন - "বাঃ! মুরগির মাংসটাতো বেশ নরম আর সুস্বাদু।"
হোটেল মালিক - "হবেনা কেন স্যার, পোষা মুরগি, আর যা খাওয়াই - কাজু, কিসমিস, প্রোটিনেক্স... "
"কি ? মুরগি কে কাজু কিসমিস? ব্ল্যাক মানি রাখার আর জায়গা পাচ্ছেননা বুঝি? দেখি আপনার সব হিসাবের খাতা পত্তর।"
খদ্দের মুরগির মাংসের দাম তো দিলেনইনা, উল্টে দু হাজার টাকা পকেটে পুরে চলে গেলেন। কারণ খদ্দের ছিলেন Income Tax Officer।
কদিন বাদে আরেকজন খদ্দের মুরগির মাংস খেয়ে খুব খুশি বললেন -"বা! পোষা মুরগি বুঝি? তা কি খাওয়ান এদেরকে?"
হোটেল মালিক এখন অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সাবধান হয়ে গেছেন, বললেন "আজ্ঞে, ভালো কিছু তো আর খাওয়াতে পারিনা, ওই পোকামাকড়, আরশোলা এসবই খাওয়াই।"
"কি? মুরগিকে পোকামাকড় খাওয়ান? জানেন আমি Prevention of Cruelty to Edible Birds এর আধিকারিক!! একথা উর্দ্ধতন মহলকে জানালে আপনার ভিটেতে মুরগির বদলে ঘুঘু চড়বে।"
এবারও আরো দু হাজার টাকা গেল দোকানদারের।
কদিন বাদে আরেকজন খদ্দেরের একই প্রশ্নে হোটেল মালিকের সোজা সাপ্টা জবাব, "একদম বলতে পারবোনা স্যার। রোজ সকালে প্রত্যেক মুরগির হাতে পাঁচ টাকা করে দিয়ে দিই। কে কি কিনে খায় জানিনা।"


জামাল: ভাই আপনার ছেলে-মেয়ে কয়টি?
বাবুল: বেশি না ভাই, মাত্র দশটা।
জামাল: বলেন কি, আপনার দশটা ছেলে-মেয়ে! পরিবার পরিকল্পনা করেন নাই?
বাবুল: হ্যাঁ, আমার তো পরিকল্পিত পরিবার। দু’টির বেশি একটিও নয়।
জামাল: তাহলে দশটি সন্তান হলো কী করে?
বাবুল: আমার বউ পাঁচটা।


ভাবিদের সাথে একদিন লুডু খেলছিলাম।
বড় ভাবি বলল আমাকে তো অনেকবার খাইছো এখন ছোট ভাবিকে একটু খাও।

এক রাজার ৪ মেয়ে ছিল। একদিন
তিনি তার ৪ মেয়েকে ডেকে প্রশ্ন
করলেন??
আচ্ছা মা, তোমরা আমাকে কতোটুকু
ভালবাসো???
১ম মেয়ে: বাবা,
আমি আপনাকে iphone এর মত
ভালোবাসি।
২য় মেয়ে: আমি তোমাকে samsung এর
মত ভালোবাসি
৩য় মেয়ে: আমি তোমাকে sony ericsson
এর মত ভালোবাসি।
৪র্থ মেয়ে:
বাবা আমি তোমাকে nokia 1208 এর মত
ভালোবাসি।
ছোট মেয়ের কথা শুনে রাজার
মাথা তো প্রান চাটনি হয়ে গেল।
সে মনে মনে ভাবল:-
আমার প্রথম ৩ মেয়ের ভালবাসা খুব
দামি, বাট ছোট মেয়ের
ভালবাসা এত কমদামি ?
নাহ্! ঐ ফহিন্নিরে বনবাসে পাঠামু ।
যথারিতি রাজা বাকি ৩
মেয়েকে রাজ্যের ৩ অংশ তাদের
ভালবাসার মোবাইল দিয়ে দিল।
আর ছোট মেয়েকে nokia 1208
দিয়ে জঙ্গলে পাঠিয়ে দিল ।
একদিন এক রাজপুত্র জঙ্গলে শিকার
করতে এসে ঐ মেয়ের সাথে প্রেম
এবং বিয়েও করে ফেলল ।
যথারিতি বিয়েতে রাজাকে দাওয়াত
দেয়া হল । রাজা ও তার বাকি ৩
মেয়ে বিয়েতে গেল ।
রাজা খেতে বসেছে, সেই সময়
রাজার আচার খাওয়ার সখ হল ।
রাজা যার তার আচার খায় না ।
রাজা তার ৩ মেয়ের কাছে মোবাইল
চাইল, যাতে বাসায় ফোন
করে কাউকে দিয়ে আচার
আনাতে পারে । কিন্তু তাদের
কারো ফোনেই চার্জ ছিল না ।
সেই সময় সেই nokia 1208 নিয়ে হাজির
হল তার ছোট মেয়ে !
রাজা দেখে আশ্চর্য হল ।
তার রাজ্যে call দিয়ে আচার
এবং কাচা আম চেয়ে পাঠালো। আম
আনা সম্ভব না হওয়ায় রাজার ছোট
মেয়ে তার nokia 1208 মোবাইল
দিয়ে আম গাছে ঢিল
হিসেবে মেরে আম পেরে দিল ।
তখন রাজা বুঝতে পারলো তার ছোট
মেয়ের ভালবাসা কেমন long lasting
এবং মজবুত...


এক মেয়ে দোকানে গেছে।
দোকানদার : আপা,কি নিবেন..?
মেয়ে : কোক দেন ২ লিটার।
দোকানদার : নেন।
মেয়ে : থাক, কোক নিবো না।
এইটার বদলে ফান্টা দেন।
দোকানদার : আচ্ছা নেন।
মেয়ে ফান্টা নিয়ে দোকান
থেকে বের হয়ে গেলো।
দোকানদার পিছন পিছন দৌড়ে
বের হলো....
দোকানদার : "আপা ট্যাকা না দিয়া
কই যান..?"
মেয়ে : কিসের টাকা..?
দোকানদার : ফান্টা নিলেন
যে ?
মেয়ে : ফান্টা তো কোকের
বদলে নিলাম। দোকানদার : তাইলে
কোকের
ট্যাকা ?
মেয়ে : কোক তো নেই নাই।
দোকানদার : তাইলে ফান্টার
ট্যাকা ?
মেয়ে : আরে, ফান্টা কোকের বদলে
নিলাম না ? আজব তো।
দোকানদার : তাইলে কোকের
ট্যাকা ?
মেয়ে : আরে ভাই, কোক তো
নেইই নাই।
দোকানদার তো
বেহুস


ভাতিজা : চাচা, এইবার বাড়িতে লাউ
গাছ
লাগাইছিলাম।
চাচা : ভালো করছোস। বইসা না থাইকা
কিছু
করা ভালো।
ভাতিজা : তো গাছে একটা বড় লাউ
ধরেছিল।
চাচা : বড় লাউ ধরবো না তো ছোট লাউ
ধরবো?
তুই আমার ভাতিজা না।
ভাতিজা : লাউডারে বিক্রির জন্য
বাজারে নিয়া
গেলাম।
চাচা : ভালো করছোস, অত বড় লাউ খাওয়া
সম্ভব না।
ভাতিজা : বাজারে এক পুলিশ লাউ এর দাম
জিজ্ঞেস
করলো।
চাচা : পুলিশ হইলেও তো তার বাজার-
সদাই
করা লাগে, দাম জিজ্ঞেস করবো নাতো
কি করবো।
ভাতিজা : আমি ৫০০ টাকা চাইলাম।
চাচা : বড় লাউ, ৫০০ টাকা চাইবি নাতো
কি ৫০ টাকা
চাইবি?
ভাতিজা : পুলিশ বললো ১০ টাকায় দিবেন।
চাচা : ঠিকইতো বলেছে একটা লাউ কি
পুলিশে ৫০০
টাকায় নিবো?
ভাতিজা : আমি বললাম, বাপের জনমে
লাউ খাইছেন?
চাচা : ভালো করছোস, তুই আমার ভাতিজা
না। তুই কি
পুলিশরে ভয় পাইয়া কথা বলবি? ৫০০ টাকার
লাউরে সে
১০ টাকা কয়।
ভাতিজা : এরপরে পুলিশে আমার কান
ধইরা মইলা দিছে।
চাচা : ভালো করছে, তুই পুলিশের সাথে
বেয়াদবি করবি
আর সে কি তোরে আদর করব?
ভাতিজা : পরে পুলিশ আমারে থানায়
নিয়া গেল।
চাচা : পুলিশতো থানায়ই নিব, সে কি তরে
তার শ্বশুড়
বাড়ী নিব?
ভাতিজা : তারপর বড় দারোগা এসে
আমাকে ছেড়ে
দিলো।
চাচা : বড় দারোগা তোরে ছাড়বো সেটাই
স্বাভাবিক,
দেখতে হইবোনা তুই কার ভাতিজা।
# ভাতিজা ^^বেহুশ


একদিন বল্টু পুকুর
পাড়ে বসে বসে বই
পড়ছে...!!!!!😋😋
পেছন থেকে তার বাবা-
মা দেখে তো খুবই খুশি হল।😉🤔
মা বললো দেখেছো আমার
ছেলে খেলতে না গিয়ে এখানে পড়ছে !!😱😱
তখন বাবা বললো ও শুধু
তোমার
না আমারও
সন্তান !!😉😉
. .
এ রকম কয়েক মিনিট বিতর্কের
পর
বাবা বলল-------
একটা পরীক্ষা করি, আসলে ও
কার
সন্তান ?????
. .
আমরা তার
সামনে একটা ঢিল
ছুঁড়ে মারব,
যদি সে (ও-মা)
করে চিৎকার করে,
তবে সে---
তোমার ছেলে,আর যদি (ও-
বাবা) বলে চিৎকার
করে তবে সে আমার ছেলে
মা বলল ঠিক আছে !!!
বাবা ঢিল ছুড়ল.....
বল্টু চিৎকার
করে বলল------------------
: :
:
:
:
:
: :
:
:
:
:
: :
:
:
:
** কোন কুত্তার বাচ্চা রে...


তিন অপরাধীকে পাঁচ বছরের জন্য কারাভোগের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিচারক সদয় হয়ে তাদের একটা সুযোগ করে দিলেন। জেলখানায় সময় কাটানোর জন্য তারা চাইলে সঙ্গে কিছু নিতে পারবে। প্রথম অপরাধী সঙ্গে নিল একটা খাতা আর কলম। দ্বিতীয়জন সঙ্গে নিল একটা রেডিও। আর তৃতীয়জন নিল এক বাক্স সিগারেট। পাঁচ বছর পর প্রথমজন যখন বেরিয়ে এল, তখন দেখা গেল, জেলখানায় তার সময় ভালোই কেটেছে। জেলের জীবন নিয়ে সে একটা উপন্যাস লিখে ফেলেছে। দ্বিতীয়জনও আছে বেশ ফুরফুরে মেজাজে। জেলখানায় গান শুনে তার চমৎকার সময় কেটেছে।
তৃতীয়জন বেরিয়ে এল বিধ্বস্ত অবস্থায়। চুল উসকোখুসকো, উন্মাদপ্রায় দশা। বাক্সভর্তি সিগারেট হাতে নিয়ে সে কাতরস্বরে বলল,...........
...............
............
...........
‘কারও কাছে একটা দেশলাই হবে?’

পলি আর তার বয়ফ্রেন্ড রফিক বসে
গল্প করছে। এমন সময় পলির ৩জন
বান্ধবী এসে হাজির। এসেই প্রশ্ন
করতে শুরু করে……
বান্ধবীরাঃ টিনা এটা কে রে?
পলিঃ আমার ভাই।
বান্ধবীরাঃ কেমন ভাই রে,
চাচাতো?
পলিঃ না।
বান্ধবীরাঃ মামাতো?
পলিঃ না।
বান্ধবীরাঃ খালাতো?
পলিঃ না।
বান্ধবীরাঃ ফুফাতো?
পলিঃ না।
বান্ধবীরাঃ (রেগে গিয়ে) কি ভাই
বলবি তো?
পলিঃ ও আমার ভালবাসাতো ভাই!!

Comments

Popular posts from this blog

Saptahik Cakurir Dak Potrika চাকুরির খবর এই সাপ্তাহিক জুরে

Saptahik Cakurir Dak Potrika চাকুরির খবর এই সাপ্তাহিক জুরে  কেমন আছেন সবাই। আজকে থেকে আমাদের এই সাইটে সাপ্তাহিক পত্রিকা দেওয়া হবে রেগুলার। আপনাদের যাদের যাদের চাকুরি প্রয়োজন হবে তারা রেগুলার এইখানে পত্রিকা দেখে আব্দেদন করতে পারবেন।  Name Details Saptahik Cakurir Dak Potrika 14 Octobor 2022 Application Date 30 Octobor 2022 Update Content 17 Octobor 2022 সাপ্তাহিক নতুন চাকরির খবর পত্রিকা ১৪ অক্টোবর ২০২২ চাকুরির পত্রিকা ডাউনলোড করুন পি ডি এফ ফাইল আকারে ।  Download Now আরো নতুন নতুন টিপস ও নিউজ পেতে সাথেই থাকুন। ভালো লাগলে শেয়ার করুন।  Tags:  chakrir dak potrika,chakrir paper potrika,saptahik jobs,chakrir khobor potrika,saptahik chakrir khobor,shaptahik jobs newspaper,saptahik chakrir potrika,ajker chakrir portrika,saptahik chakrir khobor potrika,chakrir potrika,cakrir khobor,saptahik chakrir dak potrika,saptahik chakrir dak,saptahik chakrir dak 2022,saptahik chakrir dak po...

হেলিকপ্টার ভাড়া কোথায় পাওয়া যায়। বিয়ের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া কত।

  হেলিকপ্টার ভাড়া কোথায় পাবেনঃ আজকের পোস্টের বিষয় হল কোথায় হেলিকপ্টার ভাড়া পাবেন এবং বিয়ের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া কত।  আপনারা যারা জানতে চান আপনার ভাড়া কোথায় পাওয়া যায় এবং বিয়ের জন্য হেলিকপ্টার ভাড়া কত। আমি এই পোস্টটি যত্ন সহকারে করেছি। আমি আশা করি আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেয়েছেন. আশা করি এই পোস্টের মাধ্যমে সমস্যাগুলো জানতে পারবেন। হেলিকপ্টার ভাড়া কোথায় পাওয়া যায়? বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার কোম্পানি রয়েছে। কোম্পানিগুলো থেকে হেলিকপ্টার ভাড়া নেওয়া হয়। একটি হেলিকপ্টার ভাড়া করার আগে, আপনাকে অবশ্যই নির্ধারিত পরিমাণ পরিশোধ করতে হবে এবং তারপরে এটি ভাড়া দিতে হবে। শীঘ্রই আপনার সাথে কথা বলুন এবং ভাল বিষয়বস্তু রাখুন। কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে হেলিকপ্টার লিজগুলো হলো: সাউথ এশিয়ান এয়ারলাইন্স লিমিটেড, ইমপ্রেস এভিয়েশন লিমিটেড, স্কয়ার এয়ার লিমিটেড, পিএইচপি গ্রুপ, বাংলা ইন্টারন্যাশনাল, বিআরবি কেবল, মেঘনা গ্রুপ, ইয়াং ইয়াং (আরিয়ান) গ্রুপ, আর ও পড়ুন অন্য পোস্ট: অন্য পোস্ট: অন্য পোস্ট: উল্লিখিত কোম্পানি থেকে হেলিকপ্টার ভাড়া করা যেতে পারে। বিয়ের ...

গৃহপালিত পাখির খাদ্য ১০ দশম শ্রেণীর সপ্তম পরিচ্ছেদ এবং কৃষি উপকরণ।

 দেহের বৃদ্ধি ফর প্রশ্ন উৎপাদনের জন্য খাদ্য গ্রহণ করা আবশ্যক দানা শস্য এদের উপজাত সমূহ গৃহপালিত পাখির হাঁস-মুরগির খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয় মুরগির খামার পরিচালনায় যে পরিমাণ টাকা খরচ হয় তার 70 ভাগ খরচ হয় তাদের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো। ১। দানাশস্য ও এদের উপজাত রাজা ও মান সম্মত হতে হবে। ২। খাদ্যে পাখির প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকবে। ৩।খাদ্য জীবাণু ছত্রাক ও পরজীবী মুক্ত হতে হবে প্রয়োজনীয় উপকরণ ব্যবহার করে খাদ্য প্রস্তুত করতে হবে খাদ্য সহজপাচ্য হবে খাদ্য খুব সুস্বাদু হতে হবে খাদ্য উৎপাদন খরচ কম হতে হবে খাদ্যকে যে কোন প্রকার দুর্গন্ধ মুক্ত হতে হবে খাদ্য।উপকরণ সহজলভ্য হতে হবে। বিভিন্ন খাদ্য উপকরণ মিশ্রিত করে পাখির হের সন তৈরি করা হয়।রেশন হচ্ছে 24 ঘন্টায় কোন পশু বা পাখি এর দ্বারা গৃহীত খাদ্য উৎপাদনে প্রয়োজনীয় শর্করা আমিষ চর্বি কোন ভিটামিন উপস্থিতি থাকবে তাকে সুষম খাদ্যের কাজের নিয়ম নিম্নে দেওয়া হল। বৈশিষ্ট্যসমূহ: খাদ্যে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।খাদ্য শরীরে শক্তি যোগায় খাদ্য দেহের বৃদ্ধি সাহায্য করে দেহের হাড় গঠনে সাহায্য করে দেশের ক্ষয় পূরণ বৃদ্ধিসাধন করে দেহের ...